Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র   ||    ৯ম বর্ষ ১২তম সংখ্যা চৈত্র ১৪১৬ •  9th  year  12th  issue  Mar - Apr  2010 পুরনো সংখ্যা
মূল রচনাবলীঃ 
  বাংলাদেশের এনজিও


3309 বার পড়া হয়েছে
 

  অতিথি সম্পাদকীয়

পড়শীর এই সংখ্যা যেদিন প্রকাশিত হবে, তার আগেই শেষ হবে বাংলাদেশে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন "মাইক্রোফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রণ - উপকারটা কার?" মাইক্রোফাইন্যান্স, অন্য কথায় মাইক্রোক্রেডিট, বাংলাদেশের এনজিও-দের অন্যতম কার্যক্রম। এতে দৃশ্যমান সাফল্য ও কৌশলী প্রচার - এই দুয়ের কল্যাণে দেশের অনেক এনজিও-র নাম আজ বিশ্বজোড়া। কিন্তু মাইক্রোক্রেডিট দেশের ছোট বড় ৫০ হাজার এনজিও-র অনেক কার্যক্রমের একটি মাত্র। সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সাস্থ্য সেবা, শিক্ষার ব্যবস্থা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ তৎপরতা, কারিগরি সাহায্য, অসহায় মানুষের আইনী সহায়তা ইত্যাদি এত সব বিষয়ে কাজ করছে দেশের এনজিও-রা, যে তাদের কার্যক্রম আজ দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। আর হবেই বা না কেন? ৩৯ বছর ধরে দেশের বেশির ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ সরকারকে পেয়েছে দুর্নীতি, লুটপাট ও নিপীড়নের যন্ত্র হিসেবে, সবলের হাতিয়ার হিসেবে। এর বিপরীতে এনজিও-রা এসেছে দুর্বলের পৃষ্ঠপোষক, দরিদ্রের ত্রাণকর্তা হিসেবে। এই মূল্যায়ণ শুধু দেশের গরীবদের মধ্যেই নয়, বিশ্বের তাবত ধনী রাষ্ট্রও আজ জানে অবস্থাটা কী। সেজন্যেই মনে আছে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ সাইক্লোনের পর সাহায্য পাঠানোর সময় অনেক দেশ পরিষ্কার শর্ত দিয়েছিল - এসব বিতরণ করবে সরকার না, এনজিও বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। … লিখছেন শহীদ আহমেদ ও মো: জাফর উল্লাহ।
3342 বার পড়া হয়েছে
 

  বাংলাদেশে এনজিও কার্যক্রম বিষয়ে একটি আলাপের সূত্রমুখ

স্বাধীনতাপূর্বকালে সামাজিক-অর্থনৈতিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে চ্যারিটি সংগঠন হিসেবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কাজ করত। অতীতকাল থেকে চলে আসা জনউদ্যোগে সামাজিক সহায়তা পদ্ধতির বাইরে উনিশ-বিশ শতকে ইউরোপিয় চ্যারিটির আদলে কিন্তু দেশি গন্ধ নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানগুলি গড়ে ওঠে। তবে তাদের কাজের দৃশ্যমানতার মাত্রা সে সময়ের সমাজের তুলনায় বেশ অপ্রতুল ছিল। তৎকালীন সমাজ বাস্তবতায় তার প্রয়োজনও অবশ্য তেমনভাবে ছিল না। তখনো সমাজে অতীতের ধারাবাহিকতায় পারস্পরিক সামাজিক সহায়তা চলমান ছিল। ষাটের দশকের মধ্যভাগ পর্যন্ত পুরানো সমাজ কাঠামো ও সামাজিক নিয়মকানুন অনেকাংশে সচল ছিল। উৎপাদন পদ্ধতি, চেতনার স্তর ও সমাজ কাঠামোতে তখন সবেমাত্র ভাঙন শুরু হয়েছে। … লিখছেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়।
4317 বার পড়া হয়েছে
 

  বাংলাদেশের এনজিও : চার দশকের সাফল্য ও ব্যর্থতা

বরগুনা জেলার আমতলি উপজেলার বিরানিয়া গ্রামে সমবেত হয়েছেন প্রায় একশত নারী ও পুরুষ। উপস্থিতদের মধ্যে নারী, কিশোরী এবং অল্পবয়সী কিশোরদের সংখ্যাই বেশী। একচালা যে ঘরটির সামনে কয়েকটি চেয়ার পেতে বাকী সকলের জন্য চাটাই বিছিয়ে দেয়া হয়েছে সেই ঘরটির বাইরে টাঙ্গানো একটি ছোট্ট সাইনবোর্ড - বিরানিয়া আশার আলো গণকেন্দ্র১। চেয়ারে বসে অপেক্ষমাণদের মধ্যে রয়েছেন গণকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা কমিটির সভানেত্রী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, একজন মহিলা মেম্বার, স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক । এছাড়াও রয়েছেন 'পড়শী' নামক স্থানীয় এনজিওর কর্মকর্তা, জাতীয় পত্রিকার গুটিকয়েক স্থানীয় সংবাদদাতা, স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা । সকলে এখন ... লিখছেন রফিক হাসান।
7118 বার পড়া হয়েছে
 

  নারীদের সামাজিক অবস্থা

বাংলাদেশ তথা সমগ্র বাংলায় নারী অধিকার অর্জনের সংগ্রাম নতুন নয়। ইংরেজ শাসনের সময় বহু বাঙ্গালী নারী উপনিবেশ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, বাংলার সংস্কৃতিতে মাতৃতন্ত্রের বহু উপকথা, প্রবাদ ও চিত্র বর্তমান। এই প্রবন্ধে আমি কিছু তথ্য ও উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে খুব সংক্ষেপে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে নারীদের অবস্থার একটি সাধারণ পর্যালোচনা করব। প্রতি বছর জাতিসংঘ সারা বিশ্বে নারী অধিকারের যে অগ্রগতি নির্ণয় করে তাতে মানব উন্নয়নের শীর্ষক (Human Development Index) বলে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। গত বছর নারী উন্নয়ন শীর্ষকে বাংলাদেশ ১৫৫টি দেশের মধ্যে ১২৩ নম্বর স্থান অধিকার করে। নারী অধিকার আদায়ের শীর্ষকে বাংলাদেশের স্থান হয় ১০৯টি দেশের মধ্যে ১০৮তম। নিঃসন্দেহে … লিখছেন ফরিদা খান।
4653 বার পড়া হয়েছে
 

  বড় এনজিও - একটি উদাহরণ

প্রতিষ্ঠানটির কর্মী সংখ্যা ১ লক্ষ ২০ হাজার। বার্ষিক খরচ ৫৩৫ মিলিয়ন ডলার। বিভিন্ন মহাদেশের ১৪টি দেশে বিস্তৃত এর কর্মতৎপরতা। বাংলাদেশের সবচে বড় তো বটেই, এমনকি বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও-র একটি। বলতে পারেন প্রতিষ্ঠানটির নাম? গ্রামীন ব্যাংক? ভুল করলেন। এর নাম ব্র্যাক। প্রতিষ্ঠাতা জনাব ফজলে হোসেন আবেদ। গত বছর পেয়েছেন ব্রিটেনের নাইটহুড, সম্মানজনক পদবী "স্যার"। আবেদের জন্ম ১৯৩৬ সালে, সিলেটের হবিগঞ্জে। বহু ভূসম্পত্তির অধিকারী, ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান আবেদ ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে পাড়ি জমান স্কটল্যান্ড। ভর্তি হন গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাভাল আর্কিটেকচার বিভাগে। পরে মত বদল করে চার্টার্ড একাউন্টেন্সী পড়েন লন্ডনের ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এন্ড চার্টার্ড একাউন্টেন্টস্-এ। ১৯৬২ সালে পাশ করে … লিখছেন কামাল চৌধুরী।
3878 বার পড়া হয়েছে
 

  জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশে ইসলামী এনজিওসমূহ

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওর ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৭৮ হাজার এনজিও রয়েছে। এর মধ্যে বিদেশি অর্থায়নে অনেকগুলো ইসলামিক এনজিও বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার জঙ্গী তৎপরতা ও মৌলবাদী কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যেসব এনজিও রয়েছে তা অনুসন্ধান করে প্রায় ৫২টি ইসলামিক এনজিও-কে চিহ্নিত করে তা গোয়েন্দা নজরদারিতে রেখেছে। এসব এনজিও সারাদেশে তাদের শক্তিশালী ভিত তৈরি করেছে। ইসলামিক বড় বড় এনজিওগুলোর মধ্যে রয়েছে : রাবিতা আলি আলম আল ইসলামী, আল মোনতাদা আল ইসলামী, সোসাইটি অব সোসাল রিফর্ম, কাতার চ্যারিট্যাবল সোসাইটি, ইসলামিক রিলিফ এজেন্সি, আল ফোরকান ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রিলিফ অরগানাইজেশন, কুয়েত জয়েন্ট রিলিফ কমিটি, মুসলিম এইড বাংলাদেশ, দার-আল খায়ির, তৌহিদী নূর, হাইয়্যাতুল ইজাচ্ছা, আল মারকাজুল ইসলামী, ইশরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ইসরাহুল মুসলিমীন, আল মাগরিব আই হসপিটাল প্রভৃতি। … লিখছেন আরাফাত তারেক।
4081 বার পড়া হয়েছে
 

  ইসলামিক এনজিওগুলো যা করছে

ইসলামিক এনজিওগুলো ইদানিং যে জঙ্গিবাদকে অর্থযোগান দিচ্ছে তা নতুন ঘটনা নয় মোটেই। ১৮ শ' সালের শেষ দিকে এবং উনিশ'শ সালের সূচনায় মুসলিম শরিয়া রক্ষার জন্য যে সব আন্দোলন সংগ্রাম বাংলার মুসলমানরা করেছিল সেগুলোও ছিল আরব ধর্মগুরুদের প্রশ্রয়ে পরামর্শে এবং ফতোয়ার বিধানের ভিতর দিয়ে। মক্কা-মদিনার ধর্মগুরু এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক বাদশারা ঐ সময় থেকে ধর্মরক্ষাকারী জেহাদিদের অর্থযোগান দিয়ে যাচ্ছে। তিতুমীরের উত্থান ও ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের নেপথ্যে ছিল এ ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা এবং ধর্মীয় ফতোয়ার প্রেরণা। তাকে অনুপ্রাণিত করেছিল মদিনার ওহাবী সম্প্রদায়ের ধর্মগুরু আব্দুল ওহাব স্বয়ং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সৌদ রাজবংশীয় বাদশারা সারা বিশ্বে মুসলিম সংস্কৃতি রক্ষা এবং ইউরোপীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান-আফগানসহ এশিয়া-আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিকাংশ দেশে জেহাদী গ্রুপ তৈরি করার জন্য ব্যাপক অর্থযোগান দিয়ে যাচ্ছে। এই অর্থ আসছে মুসলিম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসা এবং ইসলামী শিক্ষাসংস্কৃতির বিকাশ ও উন্নয়নের নাম করে। বিভিন্ন দেশে তারা জেহাদী মনোভাবাপন্ন স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের অবলম্বন করে এই অর্থ যোগান দিচ্ছে। ... লিখছেন মনির জামান।
3313 বার পড়া হয়েছে
 

এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.