Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র   ||    ৯ম বর্ষ ৮ম সংখ্যা অগ্রহায়ণ ১৪১৬ •  9th  year  8th  issue  Nov-Dec  2009 পুরনো সংখ্যা
মূল রচনাবলীঃ 
  প্রচ্ছদ : প্রবাসে মসজিদ ও মন্দির

ডালাস প্রবাসী সুপ্রিয় মালাকার শুভ এ সংখ্যা পড়শী’র অংকনশিল্পী। ব্রাশ স্ট্রোকের মাধ্যমে ছ’টি মসজিদ এবং ছ’টি মন্দিরের সমন্বয়ে এটি করা।
3708 বার পড়া হয়েছে
 

  অতিথি সম্পাদকদের কথা

ঈশ্বরের উপাসনা করার জন্য মুসলমানদের মসজিদ আর হিন্দুদের মন্দির। মসজিদের আজান এবং মন্দিরের ঢাক ও শঙ্খধ্বনি আমাদের বাঙালি সমাজে অতি পরিচিত। এ নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে ঘটনা-দূর্ঘটনা অনেক ঘটলেও সেখানে শতাব্দীর পর শতাব্দী এই সহ-অবস্থান অক্ষুন্ন রয়েছে। এখনকার বিশ্বায়নের যুগে সকল ধর্মের বা ধর্মীয় উপাসনালয়ের সহ-অবস্থানের উন্নয়ন ছাড়া পৃথিবীর ৬.৭ বিলিয়ন মানুষ অন্য কিছু চিন্তা যে করবে না এটা গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়। ... লিখেছেন ভজেন্দ্র বর্মন ও আব্দুল কাইউম খান।
3751 বার পড়া হয়েছে
 

  আমেরিকাতে প্রথম মসজিদ

মুসলমানদের প্রার্থনালয় ও ধর্মশিক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে মসজিদ। যুগে যুগে ইসলামের আলো ছড়িয়ে মানুষকে ইসলামের আদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছে মসজিদ। আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) মসজিদকে শুধু নামাজ পড়ার জন্যই ব্যবহার করেননি। মসজিদ ছিল সমাজ সংস্কার ও রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান স্থান।। ... লিখেছেন মুহিবুর রহমান ও মুরশিদুল হক ।
3945 বার পড়া হয়েছে
 

  উত্তর আমেরিকার মসজিদ স্থাপত্য - একটি সমীক্ষা

ইসলামের প্রথম মসজিদ স্থাপিত হয় ৬২২ খ্রীষ্টাব্দে, মদীনায়। মসজিদ অবয়ব ছিল অতি সাধারণ - পোড়া মাটির ইট আর তাল গাছের কাঠ দিয়ে বানানো হয়েছিল সেটি। সেই প্রথম মসজিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্থাপিত মসজিদের কোথায় যেন একটি যোগসূত্র আছে - দু’টি মসজিদই ছিল চৌকোনা আকৃতির। ১৯৩৪ সালে সেডার রেপিড্স, আইওয়াতে যে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল তার মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল সিরিয়া এবং লেবাননের অভিবাসীগণ। মদীনা আর সেডার রেপিড্স-এর মাঝে প্রায় ১৩ শতকের ব্যবধান। এর মাঝে বদলে গেছে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের উপাসনালয়ের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ চেহারা। নতুন পরিবেশ, নতুন মনমানসিকতা ও উপযোগিতা গড়ে তুলেছে মসজিদ স্থাপত্যের নতুন সংজ্ঞা।... লিখেছেন তাহমিদুর রহমান ।
3731 বার পড়া হয়েছে
 

  আমেরিকাতে মসজিদ ও মুসলমানরা

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ইবাদত বা উপাসনার স্থান হচ্ছে মসজিদ। মদীনায় হিজরতের পর হযরত মুহম্মদ (সাঃ) কোবাতে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। মুক্ত ইসলামের এটাই প্রথম মসজিদ। রসুল (সাঃ)-এর মসজিদ শুধু নামাজের জন্যই ছিল না- বরং এটা ছিল একটা শিক্ষাকেন্দ্রও। এখান থেকেই তিনি নবগঠিত রাষ্ট্রের যাবতীয় কর্মকার্য পরিচালনা করেছেন। এখানেই পরামর্শ সভা এবং ব্যবস্থাপনা পরিষদের অধিবেশন সম্পাদিত হোত। মসজিদ ছিল সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। ... লিখেছেন খোন্দকার মজিদুল ইসলাম।
3776 বার পড়া হয়েছে
 

  মুসলিম নারী - উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষিতে একটি বিশ্লেষণ

উত্তর আমেরিকার মসজিদে নারীর অবস্থান ও অবদান নিয়ে লিখতে গেলে একটি আপেক্ষিক ব্যাপার বিবেচনায় চলে আসে। উপমহাদেশীয় দেশগুলিতে ও মধ্যপ্রাচ্যে যেখানে মুসলিম সমাজের একটা বৃহৎ অংশ বাস করে, মসজিদ কেন্দ্রীক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ তেমনটা দেখা যায়না বললেই চলে। যদিও উত্তর আমেরিকায় এই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে তথাপি নারীর ব্যাপক অংশগ্রহণ এখনও সম্ভব হয়ে উঠেনি।... লিখেছেন সৌমি হক।
3500 বার পড়া হয়েছে
 

  উত্তর আমেরিকায় হিন্দুদের আগমন ও তাঁদের মন্দির নির্মাণ

উত্তর আমেরিকায় বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু ধর্মের উত্তরণ বহু বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করার পর ঘটেছে। এটা নয় যে হিন্দুরা এখানে আসতে চাননি। বৈধভাবে আসার জন্য তাঁদের ততটা সুযোগ ছিলনা। হিন্দুদের অল্প অল্প করে অনেক আগে থেকে আসা শুরু হলেও এখানে তাঁদের সংখ্যার পর্যাপ্ততা ও তাঁদের ব্যাপক হারে মন্দির নির্মাণ বলতে গেলে মাত্র চল্লিশ বছর আগে ১৯৭০ দশক থেকে শুরু হয়েছে। ... লিখেছেন ভজেন্দ্র বর্মন।
8302 বার পড়া হয়েছে
 

  আমেরিকায় মন্দির ও হিন্দুরা

১১-ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩ সন। শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসম্মেলনের প্রাঙ্গন। গৈরিক বসনধারী দীর্ঘকায় এক পুরুষ মঞ্চে উঠে বললেন - “I thank you in the name of the millions of Hindu people of all classes and sects." দূর সাগরের পারে আমেরিকায় জনসমাজের সম্মূখে তিনি হিন্দুধর্মকে পরিচিত করালেন - "I am proud to belong to a religion which has taught the world both tolerance and universal acceptance. We believe not only in universal toleration, but we accept all religion as true." ।... লিখেছেন প্রদোষ কান্তি সরকার।
5842 বার পড়া হয়েছে
 

  ভারতবর্ষ ও আমেরিকায় হিন্দু ধর্ম ও মন্দির

বহু সাধনার তীর্থক্ষেত্র ভারতবর্ষে - যেখানে অসংখ্য সাধক-সাধিকার পবিত্র যোগক্ষেম, আজও নিত্য প্রবাহে আকাশে-বাতাসে, জলে-স্থলে, অরণ্যে অবিরাম আশীর্বাদ স্বরূপ আধ্যাত্মিকতার বীজবর্ষণ অব্যাহত। বর্তমানে ভারতবর্ষ ও বিদেশে মানবিক মূল্যবোধ রক্ষা করতে এবং সামাজিক দুষ্-প্রবৃত্তিগুলি বিনাশ করতে সকল স্থানে গড়ে উঠেছে মন্দির, মসজিদ ও গীর্জা। বিদেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুর মন্দির নিমার্ণের জন্য উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্রে যেমন হিউষ্টন, নিউ ইয়র্ক, বাল্টিমোর, স্যান ফ্রান্সিসকো, লস এঞ্জেলেস, শিকাগো ও অন্যান্য শহরের মন্দিরগুলোর অভ্যন্তরীণ শুদ্ধতা,পবিত্রতা ও পূজাদীর মধ্যে সর্বাঙ্গীন শাস্ত্রসম্মত বিধি পালন ভক্ত মনে প্রগাঢ় ভক্তি-ভাবনাকে জাগ্রত করছে। দেশের মন্দির সর্বজন বিদিত, আর দেশে শাস্ত্র মত সব করা হয় এবং করা সম্ভব। কিন্তু বিদেশেও এখন সব কিছু করা সম্ভব হচ্ছে একমাত্র ভগবানের আর্শীবাদে ও ভক্তদের ভক্তির জোরে।... লিখেছেন বিষ্ণুপদ গোস্বামী।
3887 বার পড়া হয়েছে
 

  মন্দিরে নারীর স্থান

সনাতন হিন্দুধর্মে সুপ্রাচীনকাল থেকে আধ্যাত্ম সাধনার জন্য যে বিভিন্ন পথ উন্মোচিত হয়েছিলো তার সবগুলোতেই ব্রহ্মান্ড সৃষ্টির,কার্য-কারণের তত্ত্বগত ব্যাখ্যায় ঈশ্বরের ট্রিনিটি বা ত্রয়ী অবস্থাকে গ্রহণ করা হয়েছিলো। তিনি যখন সৃষ্টি করেন তখন তিনি ব্রহ্মা (সৃষ্টিকর্তা), যখন সৃষ্টি বজায় রাখেন তখন তিনি বিষ্ণু (পালনকর্তা), যখন নতুন সৃষ্টির মানসে জগৎ ধ্বংস করেন ঈশ্বর তখন মহেশ্বর (প্রলয়কর্তা)। বিশ্বেশ্বরের এই সৃষ্টি, পালন ও প্রলয়কার্যে যে এনার্জি (শক্তি) বা কনসাসনেস (চেতনা) অন্তসলিলার মতো বিশ্বজগতের সর্বত্র নিয়ত প্রবাহমান তাকে সনাতনধর্ম নারীসুলভ প্রকৃতি হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে। কারণ জগতে যে কোনো প্রকাশিত সৃষ্টিরই বস্তুগত রুপলাভ, নারীর মাধ্যমেই সম্ভব হয়। এই জন্যই প্রকৃতিকে বলা হয় ‘মাদার নেচার’, পৃথিবীকে ‘মাদার আর্থ্’ কিংবা ‘বসুন্ধরা জননী’।... লিখেছেন দীপিকা ঘোষ।
5141 বার পড়া হয়েছে
 

  আমেরিকাতে সংস্থা-সংগঠন ও তার পরিচালনা

আমরা সামাজিক জীব-মিলে মিশে বাদে-বিবাদে জীবন যাপন করে যাই। আমাদের ইতিহাস কত শত সমাজ ব্যবস্থার উত্থান পতনের ইতিহাস। গত চল্লিশ বছর ধরে বিভিন্ন দেশ থেকে সুখী জীবনের সন্ধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দলে দলে মানুষ এসেছে। সত্তর দশকে এর শুরু। ঐ সময় শুরু হয় শহরে শহরে নবাগতদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মানুষ্ঠান ভাড়া করা হল ঘরে। কোন একজন বা দু’জনের মাথায় কোন এক বিষন্ন সন্ধ্যায় এলো “একটা নাচ গানের অনুষ্ঠান করলে কেমন হয়”। অথবা কেউ ঈশ্বর আরাধনার প্রস্তাব নিয়ে এলো, বন্ধুদের ডেকে প্রস্তাব রাখলো। একটি ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের জন্ম হলো। সে বড় হতে লাগলো। হামাগুড়ি থেকে হাঁটা- নানা প্রয়োজনে পরিধি বাড়তে থাকলো। বৃহত্তর প্রচেষ্টার প্রয়োজন উপলব্ধি হলো। এই ধরনের প্রতিষ্ঠান বীজ থেকে শুরু হয়ে কোন একদিন মহীরুহে পরিণত হয়েছে। সাথে সাথে আরেক ধরনের প্রতিষ্ঠান এদেশে শুরু হয়েছে এক মহীরূহের শাখা হিসাবে। দেখা গেল শহরে শহরে মন্দির-মসজিদের আবির্ভাব। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পিছনে আছে তার নিজস্ব কাহিনী। সেসবের বর্ণনা এ প্রবন্ধের লক্ষ্য নয়। তবে সেগুলোকে কয়েকটি পদ্ধতির আওতায় অনুসরিত বলে ধরা যায়।... লিখেছেন দিলীপ দত্ত।
3618 বার পড়া হয়েছে
 

এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.