Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  উত্তর আমেরিকায় কর্মকান্ড  ||  ৯ম বর্ষ ১ম সংখ্যা বৈশাখ ১৪১৬ •  9th  year  1st  issue  Apr-May  2009 পুরনো সংখ্যা
বার্কলেতে বাংলা পঠন পাঠন ও আমাদের করণীয় Download PDF version
 

উত্তর আমেরিকায় কর্মকান্ড

বার্কলেতে বাংলা পঠন পাঠন ও আমাদের করণীয়

আশফাক স্বপন

কয়েক বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্কলে ক্যাম্পাসে বাংলা প্রোগ্রাম শুরু হয়। উদ্দেশ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রম আর গবেষণায় বাংলা আর বাংলাভাষী অঞ্চলের জন্য স্থায়ী জায়গা করে নেওয়া। উদ্যোগটি প্রশংসনীয় এবং বাঙালির জন্য খুব আনন্দের কথা বটে, তবে সেই জন্য বাঙালিদের খানিকটা মেহনতও দরকার। কারণ এদেশ হল অর্থনীতিবিদ মিল্টন ফ্রিডম্যানের দেশ, যার বিখ্যাত উক্তি- "There is no free lunch" আপ্ত বাক্যের মত সর্বত্র সম্মানিত। সোজা বাংলায় টাকাপয়সা ছাড়া কোনরকম খাতির নেই।

সেই কঠিন দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছেন রাকা রায় এবং এখনও নিরলসভাবে লক্ষ্য অর্জনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাকা বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের সফল অধ্যাপিকা, সেই সাথে এখানে দক্ষিণ এশিয়া গবেষণা কেন্দ্রের (Center for South Asia Studies)  কর্ণধার। বার্কলে যুক্তরাষ্টের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি এখানে অধ্যাপনা করা চাট্টিখানি কথা নয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান, গবেষণার তদারকি আর ব্যক্তিগত গবেষণার গুরুদায়িত্বতো রয়েছেই, তার ওপর দক্ষিণ এশীয় কেন্দ্রের কাজ সামাল দেওয়া সহ অনেক কাজের বোঝা রাকার কাঁধে। এরপরও অর্থসংগ্রহের দুরূহ দায়িত্ব হাসিমুখে কাঁধে তুলে নিয়েছেন, তাতেই বাংলার প্রতি তাঁর গভীর ভালবাসার পরিচয় পাওয়া যায়।

ইতিমধ্যে দুবছর হল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা শেখান শুরু হয়ে গেছে। আমরা যারা বাংলা ভাষার ব্যাপারে খানিকটা আবেগপ্রবণ, তাঁদের জন্য এটা রীতিমত গর্বের কথা যে একটি শীর্ষস্থানীয় মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা পড়ানো হচ্ছে। তবে এই কার্যক্রম স্থায়ী করার জন্য আমাদের, মানে বে এরিয়ার বাঙালি সমাজের, দায়িত্বও রয়েছে- সেই সম্বন্ধে পরে বিশদভাবে বলছি। মার্কিন মুলুকে মোটা অঙ্কের চাঁদা তোলার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো ওস্তাদ বিশেষ করে স্বচ্ছল পুরোন ছাত্র/ছাত্রীদের মাথায় হাত বুলিয়ে টাকা আদায় করার ব্যাপারে কত রকম ফন্দি-ফিকির যে এদের রয়েছে, তার হিসেব নেই।

কিছুদিন ধরে এদের নজর পড়েছে দক্ষিণ এশীয় সমাজের দিকেও। আর পড়বে না-ই-বা কেন? ৬০ দশকের মাঝামাঝি মার্কিন অভিবাসন আইনে নতুন শিথিলতার সুযোগ নিয়ে হু হু করে উপমহাদেশ থেকে উচ্চশিক্ষিত মানুষ আসা শুরু করেছিল। ওরা আজ কি পড়াশোনায়, কি আর্থিক স্বচ্ছলতায় ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। এখন IITএর নাম এদেশে ঘরে ঘরে, ভারতীয় বর্ধমান বাজারের কথা সবার মুখে মুখে, আর ভারতীয় কম্পিউটার কর্মীর ভয়ে সবাই থরথর করে কাঁপে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও বসে নেই। বার্কলে, নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের একত্র করেছে নিজ উদ্দেশ্যে, টাকা পয়সাও কম তোলেনি। এখানকার যেমনটা রীতি বেশ মোটা অঙ্কের টাকা, ধরুন ১০ লক্ষ ডলার, তুলে একটা চেয়ার স্থাপন করা হয় (আমাদের দেশে যেমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যেন বোসের নামে বোস প্রফেসর আছে)। পাঠক শুনে খুশি হবেন, ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্লুমিংটন ক্যাম্পাসে এমন একটা চেয়ার স্থাপিত হয়েছে (অবশ্য সে জন্য কি পরিমাণ অর্থ তোলা হয়েছে সেটা আমার জানা নাই), সেটা এক বাঙালির নামে, আর নিয়োগ পেয়েছেন আরেক বাঙালি। পদটির পুরো নাম Rabindranath Tagore Chair of Indian Cultures and Civilizations আর সেই পদ অলঙ্কৃত করেছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সুমিত গাঙ্গুলী।

তবে মনে রাখতে হবে, এই সব চেয়ারই সাধারণভাবে ভারত-বিষয়ক। আলাদা করে বাংলার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার ঝুঁকি আরো বেশি। আগেই যেমনটা বললাম, এদেশে ইদানিং ভারতবর্ষ নিয়ে আগ্রহ ও সম্ভ্রম অনেক বেশি, আর সার্বিকভাবে ভারতীয় প্রবাসী সমাজও অর্থ ও মানে বেশ প্রতিপত্তিশালী। বাংলাভাষী, অর্থাৎ বাঙালি সমাজ, সে তুলনায় অতটা বড় বা সফল নয়, আর বাংলা সম্বন্ধে জ্ঞানই এখানে সাধারণভাবে এত অল্প যে সম্ভ্রম বা আগ্রহের তো কথাই ওঠে না। আর অর্থসংগ্রহ? রাকা ভদ্রতা করে কিছু বলে না, কিন্তু আমার কোন সন্দেহ নেই যে ও হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে যে বাঙালিদের থেকে টাকা তোলা আর দাঁত তোলা একই রকম কষ্টসাধ্য কাজ। এখানে স্বচ্ছল, এমনকি ধনাঢ্য বাঙালি যে একেবারে নেই তা নয়, কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দেওয়ার কালচারই নেই আমাদের মধ্যে। আমাদের দেশে তো মধ্যবিত্ত সমাজ সম্পূর্ণ সরকারী অর্থানুকুল্য ও প্রশ্রয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করে থাকে, তাই এই ব্যাপারে শুধু বাঙালি কেন, উপমহাদেশের কেউই শিক্ষা উন্নয়নে সামগ্রিক সামাজিক দায়িত্বের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন নয়।

এরই মধ্যে হাঁটি হাঁটি পা পা করে বাংলা উদ্যোগ এগিয়ে চলেছে। আনন্দবাজার পত্রিকায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এই বাংলা উদ্যোগের জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন, এখানে একাধিক অনুষ্ঠান হয়েছে অর্থসংগ্রহের জন্য একটা অনুষ্ঠানে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এসেছিলেন।

বার্কলেতে ২০০৫ সাল থেকে বাংলা শেখান হচ্ছে– শিক্ষক অভিজিৎ পাল কলকাতা থেকে আগত। ক্লাস শুরু হওয়া থেকে আজ অবধি ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৬১।

বাংলা সংস্কৃতি আর ইতিহাস নিয়ে বার্কলেতে যেসব বিষয়ে পড়ান হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে ১৯ শতকে বাংলার (কলকাতা-কেন্দ্রিক) নবজারণ, বাংলা ও ভারতের উপনিবেশবিরোধী ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, ১৯৪৭-এর দেশ বিভাগ ও ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ, এরকম নানারকম বিষয়।

খুবই আনন্দের ও গর্বের কথা, সন্দেহ নেই। কাজটা প্রয়োজনীয়ও বটে। উপমহাদেশে দুই বাংলা থেকে অভিবাসন এতদিন ধরে হচ্ছে যে দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালি ছেলে-মেয়েরা বেশ ক’বছর ধরে এদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। আমাদের সমাজের কথা তো সবারই জানা, বাবা-মা পারলে সবাইকেই ঘাড় ধরে ডাক্তারী-এঞ্জিনিয়ারিং পড়ায়, যদিও ইদানিং দক্ষিণ এশীয় ছাত্রছাত্রীরা নানা বিষয়েই পড়াশোনা করছে আর কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখছে। সে যাই হোক, এরা ডাক্তারী-এঞ্জিনিয়ারিং পড়লেও এদের অনেকেরই নিজের বাবা-মায়ের দেশ, কৃষ্টি, ইতিহাস নিয়ে আগ্রহ রয়েছে। সুতরাং এই সব বিষয়ে ক্লাস নেবার সুযোগ থাকাটা ওদের জন্য একটা বিরাট প্রাপ্তি। ওদের বাবা মায়ের জন্যও, কারণ কে না চায় এদেশে বড় হয়ে ওঠা ছেলেমেয়েরা বাংলা ভাষা-ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল হয়ে উঠুক?

বাংলা ক্লাস তো চলছে, কিন্তু পাকাপাকিভাবে চালু করতে হলে আরও অর্থের প্রয়োজন। স্থানীয় বাঙালিদের (কিছু বাংলাপ্রেমী অবাঙালিও রয়েছেন) বদান্যতায় ২৫০,০০০ ডলার উঠেছে। দাতাদের সিংহভাগই পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি। দুঃখের বিষয়, বাংলাদেশীদের সংখ্যা খুবই কম। তবে সন্মানিত ব্যতিক্রম শেভ্রন তেল কোম্পানীতে কর্মরত প্রকৌশলী ডঃ আহমেদ বদরুজ্জামান- তার মধ্যস্থতায় শেভ্রন বাংলা প্রোগ্রামকে ৫০,০০০ ডলার দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেটা ওই আড়াই লক্ষ ডলারের মধ্যেই পড়ে।

এর মধ্যে একজন দাতার বদান্যতায় চালু হয়েছে রাজেন্দ্রনাথ দাস বক্তৃতা। প্রতিবছর একজন বাঙালি পন্ডিত ব্যক্তি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বক্তৃতা দেবেন আর শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয় বাঙালি সমাজের সাথে মিলিত হবেন। এই বছর এসেছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নামী অধ্যাপক সুগত বসু– ইতিহাসবিদ হিসেবে তার বেশ নাম ডাক রয়েছে এবং হার্ভার্ডে মানববিদ্যায় উনি শীর্ষস্থানীয় পন্ডিতদের একজন।

এদিকে বাংলার শিক্ষক অভিজিৎ- এর সাথে ইমেলে যোগাযোগ করেছিলাম বার্কলেতে বাংলা পঠন পাঠন সম্বন্ধে আরেকটু জানতে।

‘বাংলা প্রোগ্রামের লক্ষ্য হল ছাত্র ছাত্রীদের বাংলা সংস্কৃতির ব্যাপ্তি ও গভীরতা সম্বন্ধে সচেতন করে তোলা। বাংলা সংস্কৃতি পৃথিবীর সেরা যে কোন সংস্কৃতির সঙ্গে তুলনীয়,’ অভিজিৎ উত্তরে জানালেন। ‘শেখানোর জন্য পাঠ্যসূচিতে বিভাগপূর্ব বাংলা, পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের নানান রচনা ব্যবহার করা হয়’।

ছাত্র ছাত্রীদের বাংলা সাহিত্য, চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি, রাজনীতি আর ইতিহাসের সাথে পরিচিত করা হয়। ওরা রবীন্দ্রনাথ, জীবনানন্দ, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, শামসুর রাহমান, তসলিমা নাসরিনের রচনা পড়ে; সত্যজিৎ রায়, ৠতিক ঘটক, অপর্ণা সেন, তারেক মাসুদের ছবি দেখে, আধুনিক বাংলা গান আর রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনে।

বাঙালি ভাষা ও সংস্কৃতির ব্যাপারে ভীষণ আবেগপ্রবণ, প্রবাসীদের মধ্যেও সেটা দুর্লক্ষ্য নয়। কিন্তু তাতে হিত বিপরীত হওয়ারই সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে এদেশে থেকেও ছেলেমেয়েদের কাছে আমাদের কারো কারো একটা গোপন আশা থাকে– ওরা বড় হয়ে আমাদেরই মত রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রেমী, সত্যজিৎ রায়-অন্তঃ প্রাণ বাঙালি হবে (খোদ কলকাতা আর ঢাকাতেই যে বলিউড আর স্টার টিভির কালাপাহাড়ি ধাক্কায় সেই বস্ত্ত উঠে যেতে বসেছে, সে খবর কি আর আমরা রাখি?)। এই আশাটা অনেকটা অল্প বয়সে সুচিত্রা সেন অথবা উত্তম কুমারকে গোপনে ভালবাসার মত- জানি কখনও হবার নয়, কিন্তু কল্পনার মোহময় ফানুস ওড়াতে তো দোষ নেই।

আমাদের মনে রাখা উচিৎ, এদেশে আমাদের ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে আমেরিকানই হবে। তবে সেই সাথে বাবা-মায়ের দেশ সম্বন্ধে ওদের আরেকটু সচেতনতা আমরা আশা করতেই পারি, তবে সেই বন্দোবস্ত আমাদের করতে হবে। বার্কলের বাংলা প্রোগ্রাম সেই রকমেরই একটা চমৎকার উদ্যোগ– এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালিরা নিজের বাবা-মায়ের দেশ কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্বন্ধে আরও ভালভাবে জানতে পারবে।

আমি নিজে বার্কলেতে এক সময়ে ছাত্র ছিলাম, তখন হিন্দী ক্লাস নিয়েছিলাম। ঊষা জৈন আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় শিক্ষিকা ছিলেন, সেই ক্লাস শুধু ভাষা নয়, ভারতবর্ষের হিন্দিভাষী অঞ্চলের সাহিত্য, ইতিহাস, সমাজ জীবন সম্বন্ধে এক নতুন জগৎ খুলে গিয়েছিল আমার কাছে। বাংলা ক্লাসও ঠিক সেইভাবে, এই ১০,০০০ মাইল দূরে, এক টুকরো বাংলাকে তুলে নিয়ে এসেছে- ভাষাটা সেই জগৎকে চেনার একটা সোপানমাত্র।

আমাদের ঔদাসীন্যে সেটা উঠে গেলে সেটা কি ভীষণ আফসোস আর গ্লানির ব্যাপার হবে না? সম্ভাব্য দাতাদের কাছে রাকার একটা সাম্প্রতিক চিঠি থেকে খানিকটা তুলে দিচ্ছি (তর্জমা আমার) ‘আগামী বছর আমাদের আরেকটা fundraiser  অনুষ্ঠান হবে। ইতিমধ্যে আপনি যদি বছর শেষ হয়ে যাবার আগে আর কোন দাতব্য প্রকল্পে অর্থ দান করার কথা চিন্তা করে থাকেন, তাহলে এই বাংলা প্রোগ্রামের কথাও একটিবার ভেবে দেখার অনুরোধ করছি। আপনাদের বদান্যতায় প্রকল্পটি এখন খুবই ভালভাবে চলছে, কিন্তু আরও ১০০,০০০ ডলার না পেলে আমরা এই প্রকল্পটি স্থায়ী করার ব্যপারে সফল হব না।

আমরা বার্কলেতে বাংলা পড়ানো চিরস্থায়ী করার কাজটি অনেকটাই শেষ করে ফেলেছি, আপনি খানিকটা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেই আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌছে যাব।

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো – এই আন্তরিক অনুরোধে সাড়া দেওয়া কি আপনার – আমার কর্তব্য নয়?

 

কোন প্রশ্ন থাকলে রাকা রায়ের সাথে ইমেলে যোগাযোগ করতে পারেনঃ

rakaray@berkeley.edu

 

মন্তব্য:
Ahmed Badruzzaman   May 2, 2009
I thank Mr. Ashfaq Shawpan for higlighting this inportant program at Berkeley. I hope we can all do more. It was a privilege for me to support it; very kind of Mr Shwpan to note it. BTW, through 2008, Chevron had contributed the $50,000 mentioned in the story and I just received an approval for another $25,000, for 2009. I urge you all to talk to your companies for such support. You may be surprised by the importance many companies attach to supporting a diverse education program, especialy at a reputable university such as U C Berkeley. If any of you are interested, I will be glad to give you a few pointers on this.
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.