Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  প্রযুক্তি বন্ধন  ||  ১০ম বর্ষ ৩য় সংখ্যা আষাঢ় ১৪১৭ •  10th  year  3rd  issue  Jun - Jul  2010 পুরনো সংখ্যা
প্রযুক্তির টুকরো খবর Download PDF version
 

প্রযুক্তি বন্ধন

প্রযুক্তির টুকরো খবর

মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন

ঢাবির ভাষা ইনস্টিটিউটে চালু হলো কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ নেটওয়ার্ক (ডি.নেট) এবং মাসিক কম্পিউটার জগৎ-এর যৌথ উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য গত ১২ মে একটি কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রধান অতিথি হিসাবে সেন্টারটির উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ. আ. ম. স. আরেফিন সিদ্দিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম,ইনস্টিটিউটের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মনসুর মুসা, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সৈয়দ পিয়ার মাহমুদ,ডি.নেটের নির্বাহী পরিচালক ড. অনন্য রায়হান ও মাসিক কমপিউটার জগৎ-এর সম্পাদক গোলাপ মুনীর। এ লার্নিং সেন্টারে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ডি.নেট ও মাসিক কমপিউটার জগৎ-এর সৌজন্যে ১০টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি দেয়া হয়।

টেলিকম খাতে নতুন আইন ও উচ্চ কর নিয়ে জটিলতা

নানা ধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে এখন দেশের টেলিযোগাযোগ খাত। সংসদে পাস হওয়ার অপেক্ষায় আছে সংশোধিত টেলিযোগাযোগ আইন। এ নিয়ে অপারেটরদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। অন্যদিকে নতুন সংযোগ (সিম) বিক্রিতেও কড়াকড়ি। আরও আছে লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে জটিলতা এবং উচ্চ হারে করারোপ। এর মধ্যে আবার নতুন প্রতিযোগী হয়ে এসেছে ভারতী এয়ারটেল।

মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) সভাপতি,বাংলালিংকের রেগুলেটরি অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যাফেয়ার্সের প্রধান জাকিউল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শেষের দিকে উচ্চহারে জরিমানার বিধান রেখে টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এখন সংশোধিত যে আইনটি সংসদে পাস হতে যাচ্ছে,তাতে আপিলেরও সুযোগ রাখা হয়নি। প্রস্তাবিত এ আইনের ক্ষতিকর দিকগুলোর কথা সরকারের সংশিষ্ট সবার কাছে পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু তা গ্রাহ্য হয়নি। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত অপরাধের কারণে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি টাকা দণ্ডের বিধান দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশে নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্র্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য অনুযায়ী, মোবাইল বাজারের ৯৮ শতাংশ শেয়ার গ্রামীণফোন,বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেলের দখলে। এ চার প্রতিষ্ঠানের অপারেশন লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের নভেম্বরে। ১৫ বছর মেয়াদি এ লাইসেন্সগুলোর কোনটিতেই নির্দিষ্ট বিধিমালা নেই। এমনকি একেকটি কোম্পানি লাইসেন্স পেয়েছে এক এক মূল্যে। ১৯৯৬ সালে নেওয়া এসব লাইসেন্সের আওতায় সরকারের সঙ্গে লভ্যাংশ ভাগাভাগির ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা।

এদিকে দেশের একমাত্র সরকারি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের নেটওয়ার্ক সারা দেশে সম্প্রসারণের জন্য ২০০৭ সাল থেকে বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কিছুই হয়নি। জানা গেছে, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ দরপত্রের জটিলতায় আটকে আছে। এদিকে ভিয়েতনামের একটি কোম্পানির কাছে টেলিটকের ৬০ শতাংশ শেয়ার বিক্রি না করে চীন থেকে ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু কবে নাগাদ এ ঋণ আসবে,তা জানে না কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে ওয়ারিদের ৭০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ভারতী এয়ারটেল। ফলে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে নতুন করে মূল্য প্রতিযোগিতার আশঙ্কা করছে অন্য মোবাইল অপারেটররা। এ প্রসঙ্গে ওয়ারিদ-ভারতী এয়ারটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টবিট বলেন,ব্যবসায় মূল্য প্রতিযোগিতা থাকবেই। কে কত কম দামে কত ভালো মানের সেবা দিতে পারে,গ্রাহক সেটাই দেখবে।

নেটওয়ার্ক সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়েছে

বিশ্বের দেশসমূহের নেটওয়ার্ক সক্ষমতার সূচকে (নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স-এনআরআই) বাংলাদেশ ১২ অবস্থান এগিয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনেতিক ফোরামের (ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম) প্রকাশিত গ্লোবাল  ইনফরমেশন টেকনোলজি ২০০৯-২০১০ রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩টি দেশের মধ্যে ১১৮তম। গত ২০০৮-২০০৯ বছরের বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪টি দেশের মধ্যে ১৩০ তম এবং ২০০৭-২০০৮ সালে ছিল ১২৭টি দেশের মধ্যে ১২৪তম। সিঙ্গাপুর,ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ড তালিকার শীর্ষে রয়েছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলোর অবস্থান যথাক্রমে ভারত (৪২),শ্রীলংকা (৭২),পাকিস্তান (৮৭) ও নেপাল (১২৪)।  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বের দেশগুলো তাদের সামগ্রিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে কতোটা সক্ষম হচ্ছে এই প্রতিবেদন তারই একটি পরিমাপক। মূলত তিনটি প্রধান ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই সূচক পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে আইসিটিকে উন্নয়নের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহারের সুযোগ,সেই সুযোগ ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি,ব্যবসায়ী ও সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অংশীদারদের মধ্যে আইসিটির ব্যবহার।

এ ব্যাপারে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক মুনির হাসান জানান,বিগত এক বছরে দেশে বেশ কিছু সফল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে মোবাইল ফোনে পরিষেবা বিল প্রদান বা টিকেট প্রাপ্তি, ইউনিয়ন পর্যায়সহ সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি তথ্য কেন্দ্র,জেলা পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা,অনলাইনে কোম্পানি নিবন্ধন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। দেশে আইসিটি আইনের প্রচলন,বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক ইন্টারনেটে লেনদেনের অনুমোদন,জাতীয় আইসিটি নীতিমালা অনুসারে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ই-সেবা কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে আইসিটি ব্যবহার এবং তার মাধ্যমে উন্নয়নে গতি সঞ্চার হয়েছে। এসব কারণে সক্ষমতা সূচকে এই অগ্রগতি বলে তিনি জানান।

জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আইসিটির ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার

বর্তমানে জলবায়ুর ব্যাপারে নানা ধরনের আলোচনা চলছে। আলোচিত এ বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে নানা ধরনের কার্যক্রম হচ্ছে এবং এ পরিবর্তন রোধে তথ্যপ্রযুক্তির রয়েছে বিশেষ ভূমিকা। গত ২৪ এপ্রিল খুলনায় বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং বিজ্ঞান ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা শীর্ষক এক সেমিনার বক্তারা এসব কথা বলেন। আমাদের গ্রাম উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্প আয়োজিত সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তন এবং আইসিটির ভূমিকা এবং বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা গ্রামের উপর গবেষণাপত্র পড়েন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামীমা আক্তার। তিনি তাঁর উপস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তনের রোধে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিহিরকান্তি মজুমদার বলেন,এ ধরনের গবেষণার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বর্তমানে আলোচিত জলবায়ু পরিবর্তন রোধে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা অনেক। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন রোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ করা সম্ভব। সরকার বিশেষভাবে এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ প্রবন্ধের মূল বিষয়গুলো সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।

বেস্ট অব ব্লগসে সেরা বাংলা ব্ল

জার্মানির সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের ওয়েবসাইট আয়োজিত সেরা ব্লগ প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ বাংলা ব্লগ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশি ব্লগারের একটি বাংলা ব্লগ। সম্প্রতি জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে এ প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

বেস্ট অব ব্লগস নামের এ প্রতিযোগিতায় বাংলা ব্লগের জন্য সেরা ব্লগের পুরস্কার জিতেছেন ব্লগার আলী আহমেদ। ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় ১১টি ভাষার সর্ব  মাট আট হাজার ৩০০ ব্লগ জমা পড়ে। সব মিলিয়ে বিভিন্ন ভাষায় ১২টি বিভাগে এ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া বিচারকদের রায়ে বিভিন্ন ভাষায় ১১টি এবং ব্যবহারকারীদের ভোটের মাধ্যমে ১১টি ভাষার ব্লগকে নির্বাচিত করা হয়। বাংলা ভাষার আলী আহমেদের ব্লগটি ব্যবহারকারীদের ভোটে নির্বাচিত তালিকায় বিজয়ী হয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে জার্মানির বনে অনুষ্ঠেয় গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

মোবাইলের মাধ্যমে প্রবাসী আয়

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স দ্রুত ও সহজে এক দিনের মধ্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে দেশে মোবাইল রেমিট্যান্স সেবা চালু হয়েছে। এর আওতায় মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকের দেশজুড়ে দুই হাজার ২২২টি সেবা প্রদানকারী কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষে টাকা প্রদান করবে।

এ সেবা এখন কেবল ঢাকাতে পাওয়া যাবে। এক মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে এই সেবা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ সেবা চালু করা হলো। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য উপস্থাপন করেন ঢাকা ব্যাংকের ফয়সল ওমর এবং ইস্টার্ণ ব্যাংকের আখতারুজ্জামান। বাংলালিংক,ঢাকা ব্যাংক এবং ইস্টার্ণ ব্যাংক (ইবিএল) সম্মিলিতভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এ সময় আতিউর রহমান বলেন,প্রবাসী আয় স্থানান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক সৃষ্টি হলো। এ সেবায় ব্যাংকগুলোই হবে প্রাথমিক অংশীদার। তারাই দেশের প্রচলিত আর্থিক বিধিবিধান মেনে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়,প্রবাসী আয় গ্রহীতা বাংলালিংকের গ্রাহক হলে নিকটস্থ বাংলালিংক মোবাইল রেমিট্যান্স পয়েন্টে পরিচয়পত্র জমা দিয়ে ডিবিএল ও ইবিএল ব্যাংকে মোবাইল ওয়ালেট হিসাব খুলতে পারবেন। ওই হিসাবে সরাসরি রেমিট্যান্সের অর্থ জমা হবে। গ্রাহকেরা রেমিট্যান্স পয়েন্ট থেকে আংশিক বা পুরো টাকা তুলতে পারবেন। বাংলালিংকের গ্রাহক না হলেও একটি নিরাপদ ও নির্দিষ্ট ট্রানজেকশন রেফারেন্স নম্বর অনুযায়ী রেমিট্যান্সের টাকা তোলা যাবে।

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.