Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  নিয়মিত কলাম  ||  ৯ম বর্ষ ১২তম সংখ্যা চৈত্র ১৪১৬ •  9th  year  12th  issue  Mar - Apr  2010 পুরনো সংখ্যা
বাংলাদেশের হৃদয় হতে Download PDF version
 

নিয়মিত কলাম

দূরের জানালা কাছের মানুষ

বাংলাদেশের হৃদয় হতে

অনিরুদ্ধ আহমেদ

 

এক.

বাংলাদেশে যাওয়া যেন নিজেকেই,নিজের সত্বাকে উপলব্ধি করার নামান্তর মাত্র সে কথা বলার অপেক্ষা লাগে না। বাংলাদেশ থেকে ফিরে এসে যে শুন্যতা উপলব্ধি করি প্রাণের গভীরে তাতেই বুঝতে পারি, দেশটি তার আর্থিক টানাপোড়েন এবং তার সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি, তার রাজনৈতিক বাদ-বিসম্বাদ এবং তার সামাজিক বন্ধন নিয়ে মনের ভেতরে থেকে গেছে বরাবর। এবারকার বাংলাদেশ সফর ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, সে জন্যেই দাপ্তরিক কোন ঝুট ঝামেলা ছাড়াই বাংলাদেশকে উপলব্ধি করতে পেরেছি নিজের মতো করে। সেখানে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর যেহেতু এটি ছিল আমার প্রথম সফর, সেহেতু এই সরকারের সাফল্য ও শৈথিল্য, অর্জন ও স্খলন এর কোনটিই আমার দৃষ্টি এড়িয়ে যায়নি। তা ছাড়া এবার বাংলাদেশে আমার অবস্থানের সিংহ ভাগ সময় জুড়েই ছিল ফেব্রুয়ারী মাস, সুতরাং বাঙালির ইতিহাস-নিয়ামক এই মাসটির উদযাপন লক্ষ্য করেছি, হৃদ্যিক আন্তরিকতায়। মনে হচ্ছিল আগেকার যে কোন সময়ের তুলনায় এই অনুভূতি অত্যন্ত  প্রবল। সেটা কেবল এ জন্য নয় যে এখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলো সরকার গঠন করেছে বরঞ্চ সরকারী আনুকুল্যের বাইরেও লক্ষ্য করেছি বেসরকারীভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে এই একুশকে ঘিরে রয়েছে নির্ভেজাল অনুভূতি। এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যেমন, তেমনি তরুণ বাবা-মাদের দেখেছি আশ্চর্য এক অনুভুতিতে বিশে ফেব্রয়ারি সন্ধ্যায় সন্তানের গালে আঁকিয়ে নিচ্ছেন শহিদ মিনারের চিত্র। একুশ এখন যে আর কোন শোকের অনুষ্ঠান নয়, শক্তি ও প্রণোদনার উৎস, সেই সত্যটি বেরিয়ে এসেছে বারবার। বইমেলায় আমি দেশে থাকতে গিয়েছি অসংখ্যবার এবং বিদেশে বসবাসের পরও গেছি বেশ কয়েকবার। কিন্তু অনেক সময়ে বাংলা একাডেমির ফটকে ধাক্কাধাক্কির যে অশ্লিল ঘটনা ঘটেছে তা থেকে মুক্ত ছিল এবারকার পরিবেশ। এবার যেন মনে হয়েছে সকলেই এসছেন বইমেলায় বই কিনতে কিংবা অন্তত বাঙালি সংস্কৃতির এই মাহেন্দ্রক্ষণটি উপভোগ করতে। এর মধ্যে নির্মল, নিস্কলঙ্ক একটা অনুভূতিই ছিল প্রধান। বস্তুত এবারকার একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপিত হয়েছে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে। এই শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ বিশেষ করে লক্ষ্য করেছি বইমেলার প্রাঙ্গনে যা পরিণত হয়েছিল মানুষের এক আশ্চর্য মিলন মেলায়ও। বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি যেন এক আজন্ম লালিত অনুরাগবশতই সকল বয়সের মানুষ একত্রিত হয়েছিলেন এই বইমেলায়। এবারকার বইমেলায় দেখা হয়ে গেল প্রবাসী বেশ কিছু লেখক সাংবাদিকের সঙ্গেও। লন্ডনের শামিম আজাদ, মাসুদা ভাট্টি, আমিনুল হক বাদশাহ যেমন তেমনি কানাডার ফারুক ফয়সলেরও দেখা পাওয়া গেল বইমেলার চত্বরে। প্রবাসী বাঙালিরা যে নিতান্ত নাড়ির টানে গিয়েছিলেন বইমেলায় সেটা লক্ষ্য করার বিষয়। তাঁরা কেউ কেউ বললেনও যে,বছরের এই সময়টাতে তারা বাংলাদেশে আসেন মূলত একুশে ফেব্রুয়ারী এবং বইমেলার আকর্ষণে।  বাংলা, বাঙালি, বাংলাদেশ, এই-ই সৃষ্টি করেছিল বইমেলার সামূহিক  আবহ।

দুই.

তবে বইমেলার বাইরের বাংলাদেশকেও দেখেছি নিবিড়ভাবে। বাংলাদেশের মিডিয়ার কল্যাণে দেশের একটা চিত্র আমরা এই প্রবাসে বসেও পেয়ে থাকি এবং সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের জন্যে সব চেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে ঢাকার অসহনীয় যানজট। সে জন্যেই মানসিক দিক দিয়ে আমার অন্তত একটা প্রস্তুতি ছিল এই যানজটের জালে আটকে পড়ার। কিন্তু বাস্তবে লক্ষ্য করলাম যে যানজটটি যতটা ভয়াবহ বলে মিডিয়া প্রকাশ করছে, বাস্তব পরিস্থিতি ততখানি ভয়াবহ নয়। আমি বছর দেড়েক আগেও বাংলাদেশে গিয়েছিলাম, তখনো যানজট দেখেছি ঢাকার রাস্তায় সে তুলনায় এখন যে পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে, তেমন কথা বোধ হয় বলা যাবে না। আর এই যানজটের জন্যে এক সময়ে যেমন রিকশাকে দায়ি করা হতো এখন বোধ হয় তেমনটি বলা যাবে না কারণ ঢাকার যে সব রাস্তায় রিকশা চলাচল করে না, সেখানেও যানবাহনের জটাজাল জটিল আকার ধারণ করেছে। ঢাকা শহরে মোটর গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বিস্ময়করভাবে আর সেই অনুপাতে রাস্তাঘাট তেমন প্রশস্ত হয়নি, বিদেশের বড় বড় শহরের মতো বেল্টওয়ে বা বাইপাসেরও কোন অস্তিত্ব নেই অতএব এই বিপুল বর্ধিত যন্ত্রযানের যন্ত্রনা সইতেই হচ্ছে যাত্রীদের যাঁরা নিজেরাই ঐ যানজট সৃষ্টির জন্যে দায়ি। ঢাকা শহরে যানজট সমস্যাটি হয়ত আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতো যদি না সরকার স্কুল, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্যে আলাদা সময় নির্ধারণ করে না দিতেন। এই পরিকল্পনার কারণেই যানজটের মাত্রাটি এখনও দু:সহ হয়ে ওঠেনি। তবে এও সত্যি কথা যে ঢাকা শহর জনসংখ্যা ও যানবহরের চাপে উপচে পড়ছে। আর বাংলাদেশে রাস্তায় যে ধরণের বাহন যিনি চালান না কেন, তিনি আইনের কোন তোয়াক্কা করেন না। লেইন চিহ্নিত রাস্তায় ও যানবাহনের শৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। আসলে আমি বরাবরই বলি যে বাংলাদেশে যানবাহনের আইন অমান্য করার ও একটা আইন আছে আর সেই আইন অমান্যের আওতায় সকলেই আছে বলে সেখানেও একটা আশ্চর্য ধরণের বোঝাপড়া চলে একটি গাড়ির সঙ্গে আরেকটি গাড়ির, রিকশার, সাইকেলের বা পথচারিরও। এই অবস্থা হয়ত পশ্চিমের এই সব দেশে অকল্পনীয় এবং শৃঙ্খলা ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে এখানে কোন আপেক্ষিক পার্থক্য নেই, বিষয়টি চূড়ান্ত সত্যেরই দুটি দিক মাত্র।

তিন.

 

যানজটের সমস্যা এখনও যেমন দু:সহনীয় চরম বলে আমার কাছে মনে হয়নি, তেমনি আমি অন্তত আইন শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও কোন ধরণের লক্ষনীয় অবনতি দেখিনি। চাঁদাবাজি কিংবা সন্ত্রাসের অভিযোগ যে উঠছে না তা নয়, কোন কোন জায়গায় এ ধরণের অপরাধ প্রবণতার লক্ষণটাও স্পষ্ট কিন্তু আমি নিজের পাড়ায় আগের যে কোন সময়কার তুলনায় অনেকটা নিরাপদ বোধ করছি। রাতে অনেক সময়ে রিকশা বাদ দিয়ে হেঁটে এসেছি স্বেচ্ছায় কিন্তু পাড়ায় পাড়ায় কিশোর-তরুণদের যে আড্ডা এক সময়ে চোখে পড়তো, সে রকম শঙ্কিত হবার মতো, বাউন্ডুলে ছেলেদের সমাবেশ ও চোখে পড়েনি। তবে এর অর্থ এই নয় যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অত্যন্ত আদর্শ। বস্তুত একটা কথা মনে রাখা প্রয়োজন যে আইন শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে সামরিক সরকার কিংবা সামরিক বাহিনী সমর্থিত সরকারের থেকে রাজনৈতিক সরকারের একটা গুণগত পার্থক্য হচ্ছে এই যে রাজনৈতিক সরকারের সময়ে এমন কিছু উপাদান কাজ করে যার প্রতিক্রিয়ায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। সুতরাং বর্তমানে যদি তত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার তুলনায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি ঘটে থাকে, তা হলে তার কারণ সরকার পদ্ধতি এবং রাজনৈতিক সরকারের সুবিধাভোগি গোষ্ঠি। তবে বাংলাদেশে গ্যাস সঙ্কট প্রকট হয়ে উঠতে পারে, সেই আশঙ্কার কথা আমি ঢাকায় শুনেছি অনেকের মুখে। গ্যাস সঙ্কট যদি শেষ পর্যন্ত প্রকট হতেই থাকে তা হলে তা বর্তমান সরকারের জন্যে হবে সত্যি সত্যিই এক অশনি সঙ্কেত। আশার কথা যে সম্ভবত শীতকালে এবার বাংলাদেশে যাওয়ায় মারাত্মক কোন লোডশেডিং এর সম্মুখীন হইনি তবে এই পরিস্থিতি এ সময়ের জন্যেই প্রযোজ্য, ভবিষ্যতে এই বিদ্যুৎ ঘাটতি যে বড় রকমের সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে, সে বিষয়ে আশংকাটি নিতান্তই অমূলক নয়।

চার.

তবে দ্রব্যমূল্য মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ বাংলাদেশ সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রম সাধারণ জনগোষ্ঠির কাছে সন্তোষজনক এ কথা মেনে নেওয়ার পরও বলা যায় যে অনেকেই বলছেন যে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে পরিবর্তন কাঙ্খিত ছিল এবং বিশেষত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে পরিবর্তন দেখতে চেয়েছিলেন সাধারণ জনগোষ্ঠি, সেই সুশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতির কোন পরিচয় আমরা পাইনি। সরকারী ও বিরোধীদল এখনও সেই মেরুবর্তী অবস্থানে থেকে গেছে, যা সাধারণ গোষ্ঠিকে পীড়িত করে। বিএনপি'র সঙ্গে আওয়ামি লীগের আদর্শিক পার্থক্য প্রচুর মূলত বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও বিকাশ মুহূর্তের ইতিহাস নিয়েও যখন এ দুটি রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করে তখন যে কোন ধরণের রাজনৈতিক বোঝাপড়ার বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে পড়ছে। বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের অবকাশ খুব কম কিন্তু যখন ইতিহাসকে কৃত্রিম ভাবে পরিচালিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য তখনই সমস্যার সম্মুখীন হয় গোটা জাতি। ইতিহাস বিকৃতির বোধ করি সিংহভাগ দায় বিএনপির কিন্তু, দায়িত্বটা হচ্ছে আওয়ামি লীগের এই বিকৃতি থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিবৃত্ত করার এবং নিজেকে এই বিতর্ক থেকে বস্তুনিষ্ঠ দূরত্বে রাখা। আওয়ামি লীগ সরকার ঢাকা বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করে সেই কাজটি থেকে যেন আরো দূরে সরে আসলো এবং চট্টগ্রাম বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন করে বিএনপি সরকার যে ভাবে সমালোচিত হয়েছে, আওয়ামি লীগ ঠিক তেমনি ভাবেই নিজেকে অহেতুক সমালোচনার বস্তুতে রূপান্তরিত করলো। একথা সত্যিই যে বাংলাদেশের ইতিহাস বিকৃতির মূল প্রয়াসটি শুরু হয় জেনারেল জিয়াউর রহমানের ক্ষমতালিপ্সু মনোভাবের কারণে যেখানে তিনি আওয়ামি সিন্ড্রমে আক্রান্ত হয়ে ইতিহাসকে আমূল পাল্টে দেবার এমনই কৃতঘ্ন প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন যে সে মূল্য জাতিকে এখনও দিতে হচ্ছে। এরই সঙ্গে এ রকম অভিযোগও উত্থাপিত হয় যে জিয়া বঙ্গবন্ধুর হত্যা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পুর্ণ ভাবে সম্পৃক্ত না থাকলেও এই ঘটনা যে ঘটতে যাচ্ছে সেটি তিনি জানতেন। বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের প্রতি জিয়াউর রহমানের যে এক ধরণের দূর্বলতা ছিল এবং তিনি যে তাদের আইন ও নীতির শাসন থেকে রক্ষা করেছেন, সেই মস্তবড় অনৈতিক কাজের জন্যে জিয়াউর রহমান দায়ি। তবে এ কথাও অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একাংশের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল সম্পুর্ণ। রাজনৈতিক নেতারা যখন নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে এবং গোটা বাঙালি জাতি যখন দিগ্বিবিদিক জ্ঞানশূণ্য, তেমনি সময়ে জিয়া সামরিক ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে এসেছিলেন। সাতাশে মার্চের বেতার ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধে আকাঙ্খি বাংলাদেশের মানুষ একটা ভরসার সন্ধান পেয়েছিল। আওয়ামি লীগ যদি এই সত্যটিকে অস্বীকার করে তা হলে, সেটিও ইতিহাসের বিকৃতি হবে। কিংবদন্তীর জিয়ার চেয়ে বাস্তবের জিয়া যে অনেক বেশি চতুর এবং নীতি বিরোধী ব্যক্তি ছিলেন সেই সত্যের পাশাপাশি এটাও সত্যিই যে রাজনৈতিক ভাবে তিনি যে অসৎ উপায়ের আশ্রয় নিয়েছিলেন, তার পাশাপাশি জিয়া ব্যক্তিগত জীবনে অনেকখানিই সৎছিলেন যদিও তাঁর ভাঙ্গা সুটকেস আর ছেঁড়া গেঞ্জির পাশাপাশি সাফারি স্যুটের বাহুল্যটি অস্বীকার করার উপায় নেই। এসব সত্বেও মানুষের মনে জিয়ার ভাবমূর্তিটি তাঁর গুণধর পুত্রদের ভাবমূর্তির চেয়ে অনেক ওপরে। আর এই একটি মাত্র কারণে, অন্তত রাজনৈতিক কৌশল বিবেচনায়, আওয়ামি লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নাম পরিবর্তন না করলেই ভাল ছিল। আওয়ামি লীগের এই কৌশলগত ভ্রান্তির জন্যে ভবিষ্যতে দলটিকে যদি আরো কঠিন মূল্য দিতে হয় এবং বাংলাদেশের মানুষকে আবারও ইতিহাস বিকৃতির সম্মুখীন করা হয়, তা হলে সে দায় কাকে বহন করতে হবে, সেকথাই ভাবছি এখন।

 

অনিরুদ্ধ আহমেদ: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ও নিবন্ধকার।

 

মন্তব্য:
M. Shahalam Mozumder   April 8, 2010
Anis Shaheb: Seems like you have written a real picture of present Bangladesh. I admire your facts revealing journalism. I always enjoy your literary writing. Thanks.
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.