Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  মূল রচনাবলীঃ  ||  ৯ম বর্ষ ৭ম সংখ্যা কার্তিক ১৪১৬ •  9th  year  7th  issue  Oct-Nov  2009 পুরনো সংখ্যা
সংগঠনের হাল হকিকত Download PDF version
 

প্রবাসে বাংলাদেশী সংগঠন

 

সংগঠনের হাল হকিকত

ফাহীম রেজা নূর

নাইন-এলেভেনের পর সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্রই সতর্কতা ও সাবধানতা। তারপরও কোন কিছুই থেমে থাকেনা। যথা নিয়মে ধীর গতিতে সচল হয় প্রায় সবকিছুই। প্রবাসী বাংলাদেশের অভিবাসীরাও গা ঝাড়া দিয়ে উঠে এবং যথা নিয়মে কমিউনিটির জন্য কার্যকলাপও শুরু হয়ে যায়। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক এবং আঞ্চলিক সংগঠন তাদের কর্মতৎপরতা চালাতে থাকে।

২০০২ সালের মাঝামাঝি বাংলাদেশের এক মহান মরহুম নেতাকে কেন্দ্র করে ২টি সংগঠন একটি স্কুলের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান করার জন্য যথানিয়মে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে ভাড়ার জন্য আবেদন করে। কিন্তু কোন সংগঠনই উক্ত অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান করার অনুমতি পায়নি। কার তারা ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের বরাত দিয়ে আবেদনকারীদের জানিয়েছে যে, তারা ভেবে অবাক হচ্ছে বাংলাদেশীদের কতগুলি সংগঠন আছে? একই ধরনের অনুষ্ঠান করার জন্যই বা কেন একাধিক সংগঠন কোন একটি অনুষ্ঠান করতে চায়? এই মূহুর্তে তাদের নথিতে অন্তর্ভক্ত আছে বাংলাদেশীদের ১৭২টি সংগঠনের নাম। অথচ দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার অন্য দেশগুলির কোন সংগঠনই দুই অংকের তো দূরের কথা কোন কোন দেশের একাধিক কোন সংগঠনই নেই।

কিন্তু বাংলাদেশের অবস্থা মাশাল্লাহ্ সংগঠনগুলির ক্রমিক সংখ্যা ৩ (তিন) অংকে পৌঁছে গেছে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাদের কাজের সীমারেখা তা শুধু কাজীর গরু কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই এর মতো অবস্থা। অর্থাৎ কল্যানধর্মী ও ন্যায় ভিত্তিক কথাগুলি গঠনতন্ত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় এক একটি সংগঠন জন্ম নিচ্ছে কিছুদিন যেতে না যেতেই সেই সংগঠনই দ্বিধা কিংবা ত্রিধা বিভক্তির বেড়াজালে আবদ্ধ হচ্ছে। কিন্তু এর কার খুঁজতে গিয়ে যা বেরিয়ে এসেছে তা খুবই দুঃখজনক ও হতাশাজনক। এ প্রসঙ্গে যাবার আগে আমরা একটু চোখ বুলাতে চাই কি ধরনের ও কেবল কোন সংগঠনগুলি আটলান্টিকের এপারে অভিবাসীদের জন্য কর্ম তৎপরতার স্বাক্ষর রাখছে। তার আগে সংগঠনগুলি ভাগ করলে দেখা যাবে এখানে সামাজিক সাংস্কৃতিক আঞ্চলিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়, পেশাজিবীসহ বিভিন্ন সংগঠনের তৎপরতা। এর মধ্যে সব থেকে বেশী সক্রিয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলি। লক্ষ্যণীয় ব্যাপার হলো এ দেশে বসবাস করে মূলধারার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না হয়ে, মহাসাগর পাড়ি দিয়ে, ফেলে আসা দিনের স্বপ্ন নিয়ে দেশীয় রাজনৈতিক চর্চা করে যাচ্ছে। এবং স্বদেশ থেকে কোন নেতা তা সরকারী দলীয় কিংবা বিরোধী দলীয়ই হোক না কেন তারা একবার এদেশে এলেই হলো। সেই নেতাকে নিয়ে সম্বর্ধনা সভা আর রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে তোলপা শুরু হয়ে যায়।

সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলি জাতীয় দিবসসহ খ্যাতিমান ব্যক্তিদের নিয়ে অনুষ্ঠান করে থাকে যেমন ২১ শে ফেব্রুয়ারী, বিজয় দিবস, বুদ্ধিজীবি দিবস, স্বাধীনতা দিবস, রবীন্দ্রনজরুল জয়ন্তীসহ বিভিন্ন সময় সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অথবা হঠাৎ কোন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে অনুষ্ঠান করে থাকে।

ঠিক তেমনি ধর্মীয় সংগঠনগুলি নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-আচরসহ ধর্মীয় নেতাদের জন্ম-মৃত্যবার্ষিকী পালনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি করে থাকে। বলা বাহুল্য যে এ সবই সাধারতঃ ধর্মীয় বিষয়বস্তুর উপর সীমাবদ্ধ থেকে থাকে।

আঞ্চলিক দলগুলি তাদের আঞ্চলিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে কথার ফুলঝুরি দিয়ে মিলে মিশে থাকার ও কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদি করে থাকে তবে তা স্বীয় অঞ্চলের খ্যাতিমান ব্যক্তি বা নেতা নেত্রী এনে সম্বর্ধনা সভা করার জন্য উম্মখ থাকে।

পেশাজীবিদের সংগঠনগুলি তাদের সংগঠনের নির্বাচন উপলক্ষে নিয়মিত বছরে অন্ততঃ একটি বড় সভা করে থাকে তথা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ হৈহৈ রৈরৈ করে মহাসমারোহে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়।

লক্ষ্য করার বিষয় সব ধরনের সংগঠনগুলির বাস্তবে কাজের কাজ কিছু না হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সব সংগঠনগুলি সিদ্ধহস্ত আর তা হলো পিকনিক বা বনভোজন

সব পেয়েছি-র দেশ-এ এসে খুব কম ব্যক্তিরই স্বপ্ন পূর হয়। তার উপর কঠিন বাস্তবতায় কনকনে শীত কিম্বা প্রখর গ্রীস্মের তাপ কে উপেক্ষা করেই জীবনের গতি এগিয়ে চলে। পৃথিবীতে জীবন ধার করার জন্য মৌলিক চাহিদাগুলি সাময়িক পূরন হবার পরপরই তখন সমিতি কিম্বা সংগঠনগুলির প্রতি মানুষ ঝোকে।

এখানে এক একটি সংগঠনের সদস্য সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। আন্তর্জাতিক রাজধানী বলে খ্যাত নিউইর্য়ক-এর বাংলাদেশী কমিউনিটির আমব্রেলা (ছাতা) সংগঠন হিসাবে মুরুব্বীয়ানা করে থাকার কথা বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইর্য়ক ইনক-এর। তাদের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। এই সব সদস্যরা ১০ ডলার করে বাৎসরিক চাঁদা দিয়ে বিরাট এক তহবিল সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে অবদান রাখছে। উক্ত তহবিল থেকে সেবামূলক কার্যাদি ও নাড়ীর টানে স্বদেশের যে কোন দুর্যোগে সাহায্য ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করে থাকে।

তারপরও তাদের কার্যকলাপ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকে সাধার সদস্যদের কাছে। বিশেষ করে এ যাবৎ উক্ত সংগঠনের প্রায় প্রতিটি কার্যনিবার্হী পরিষদের সভাপতি ও সাধার সম্পাদকের মধ্যে বিরোধ। যার ফলে বিগত কয়েকটি টার্মে মামলা-মোকদ্দমা হয়েছে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সবাই হতাশ। তারপরও এবার বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইর্য়ক ইনক এর নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আজিজ রানা পরিষদ পুরো প্যানেলে জয়ী হয়ে হতাশার মাঝে আশার বাণী শুনিয়েছিল। কিন্তু তা সাময়িক বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যদিও সবাই আশা করে অচিরেই তাদের মধ্যে ভুল বোঝা-বোঝির অবসান হবে। সম্প্রতি জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সভাপতি ও বর্তমান দেশীয় বিরোধী দলীয় সমর্থনকারী সম্পাদকমন্ডলীর সদস্যরা ১৫ই আগষ্ট পালন করতে চায় নি। কিন্তু সাধার সম্পাদক স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ব্যক্তিগতভাবে যে কেউ যে কোন মতবাদে বিশ্বাসী হতে পারেন কিন্তু গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাজ করতেই হবে। সোসাইটির গঠনতন্ত্রে পরিস্কার লেখা আছে দেশীয় জাতীয় দিবসগুলি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। সেই মতেই তাদের জাতীয় শেক দিবস সাধার সম্পাদক রানা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে বিশাল সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাছে সভাপতি গঠনতন্ত্র অবমাননা করেছেন এই ভয়ে একবারে শেষ মূহুর্তে তাদের কার্যলয়ে হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করে সমালোচনার হাত থেকে রেহাই পেতে লোক দেখানো একটি অনুষ্ঠান করেছেন।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউইর্য়ক ইনক-এর পরেই আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে জালালাবাদ এসোসিয়েশন বৃহৎ একটি সংগঠন তাদের সদস্য সংখ্যাও প্রায় ১৩ হাজার। এবারে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই ভাগে বিভক্ত হতে যাচ্ছিল। শেষ মূহুর্তে শুভবুদ্ধির উদার হওয়ায় এই যাত্রা থেক তারা বেঁচে গেছে।

পরিশেষে দুই একটি সংগঠনের কার্যকলাপের কথা বলে ইতি টানবো। তবে বলে রাখা ভাল হতাশা বিভক্তি আর ক্ষমতার দম্ভে সমিতি, সংগঠন তা সামাজিক সাংস্কৃতিক কিংবা ধর্মীয় অথবা রাজনৈতিকই হোক না কেন তারা এই প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে হাসি, কান্না, আশা নিরাশার দোলচালে অনেককেই মাতিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছে এবং হচ্ছে।

শ্রোতার আ বলে একটি সংগঠন তারা স্থানীয় কিংবা স্বদেশ থেকে শিল্পী সাহিত্যিক এলে তাদের সাথে একটি চমৎকার সন্ধ্যা উপভোগ করার আয়োজন করে অবশ্যই তা ১০ ডলারের বিনিময়ে। সংগৃহিত অর্থ শিল্পীকে দিয়ে বাকী অর্থ চ্যারিটিতে দান করা হয়।

অন্য দিকে দেশীয় শিল্প সাহিত্যিকদের নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে এওর্য়াড শো করে থাকে বিভিন্ন সংগঠন। তবে তা লাভজনক হওয়ায় এখন তাও কয়েকটি ভাগে বিভক্ত।

মু্ক্তধারা ফাউন্ডেশন আয়োজন করে প্রতিবছর বইমেলা। এখানে বাঙালী শিল্পী সাহিত্যিকদের সমাবেশ ঘটে এবং উপভোগ্য একটি জমকালো অনুষ্ঠানও হয়ে থাকে।

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে মধুমেলাসহ স্বদেশ থেকে গণ্যমান্য কেউ এলে তাদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। আগে প্রতি মাসে একটি সুস্থ চলচ্চিত্র দেখানো হতো। কিন্তু বর্তমানে তা স্থগিত রয়েছে, আগের নিয়মিত অনুষ্ঠানগুলিও কালে ভদ্রে অনুষ্ঠিত হয়ে কোন রকমে টিকে আছে উক্ত সংগঠনটি।

প্রথম আলো বন্ধু সভা থেকে মাঝে মধ্যে কবিতা বা গল্প পাঠের আয়োজন ছাড়াও স্বদেশের বন্যা,রা, মঙ্গা পীড়িতদের অর্থ সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়, এবং গাঙ্গচিল সংগঠনটি একটি সাহিত্য সভা করে থাকে প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

ছাড় বড় বড় সংগঠনগুলি তাদের সাধ্যমত কিছু করার চেষ্টা করে কখনো হয় সফল কখনো ব্যর্থ। তার কার সিদ্ধান্তহীনতা ও দলীয় মত পার্থক্যের জন্য ভাল ও জনহিতকর কাজ হয়না।

বর্তমানে মার্কিন সরকার অন্য দেশ ও জাতির জনসংখ্যার সাথে ভারসাম্য রক্ষার্থে বিভিন্ন দেশের জন্য লটারীর মাধ্যমে পি ডিভি ভিসা দিয়ে ভাগ্যবানদের জন্য সব পেয়েছি-র দেশে আসার সুযোগ করে দিয়েছে। আর তাই যুক্তরাষ্ট্রের অনেক শহরেই বাংলাদেশীদের আনাগোনা চোখে পড়ার মত। আর তাই ব্যাঙের ছাতার মত বিভিন্ন সংগঠনের জন্ম হচ্ছে। আর একটি কার হলো আইডেন্টিটি ক্রাইসিস-এর জন্য ও সমিতি বা সংগঠন বিভক্তি হয়ে এর সংখ্যা বাড়াচ্ছে। আর যাই হোক নিজেকে পরিচয় দেওয়ার মত একটি পথ তো তৈরী হচ্ছে। তা হোক না কোন আঞ্চলিক বা রাজনৈতিক অথবা ধর্মীয় কিংবা সাংস্কৃতিক সংগঠন। এক একটি সংগঠন ব্যারিকেডের মধ্যে হলেও ঐ সংগঠনের কর্মকর্তারা  নিজেদের তো বলতে পারছেন আমরা উক্ত সংগঠনের কর্মকর্তা, তা সেই সংগঠন প্যাড সর্বস্ব অথবা হাতে গোনা সদস্যই হোক, সাইনবোর্ড আছে তাতেই চলে।

লেখাটি শেষ করবো এই বলে যে এখানে বড় বড় সংগঠনগুলি তাদের নির্বাচনের প্রচারনার জন্য যে শত শত হাজার হাজার ডলার ব্যায় করে তা খুবই দৃষ্টিকটু। এ ব্যাপারে নতুন করে ভাবার আছে বলে মনে করি। ব্যায়কৃত ডলার দেশে কিংবা এখানে সেবা কিংবা কল্যামূলক কাজে ব্যয় করা উচিৎ।

 

নিউ ইর্য়ক

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০০৯

 

মন্তব্য:
erewre   May 27, 2016
It's time to explore the exciting world of Ralph Lauren Polo . Here, you'll find a stunning display of quality and craftsmanship, for both men's and women's shoes. Whether it's seductive strappy sandals or classic men's loafers, each piece represents Ralph Lauren's commitment to individuality and elegance. You can go from day to night, Ralph Lauren Dresses or casual to desirably dressed, with the Ralph Lauren Collection. Ladies, start your day off with gladiator sandals and end with the exciting elegance of gold studded heels Ralph Lauren Short Sleeved Polos . Redefine your style with classic equestrian boots and uniquely coveted sneakers. Let's not forget the men. Whether you're styled in smooth suede loafers Ralph Lauren Shirts , or want to kick back in terrifically tasseled boat shoes, the Ralph Lauren Collection has the versatility you desire. Ralph Lauren has always stood for providing quality products Ralph Lauren Sweaters , and the Ralph Lauren Collection invites you to take part in their wonderful world of glamorous excitement, classic designs, and pieces you'll covet forever!
Mominul Hoque, Pittsburgh   October 22, 2009
I am not at all surprised to read that there are 172 Bnagladeshi organizations in the USA (see, above). Let us have one more: Bangladesh Umbrella Organization (BUO), with the "President" of each of these orgainations as a member of the BUO. The Executive President of the BUO will be decided on the basis of the alphabetical order of the names of the organizations or by ballot. (for a year). The Executive President will choose his advisors, at the most nine members from the list of the "presidents" of the established Bangladeshi organizations, scattered all over the country and registered with the Umbrella organization (BUO). Let us have two (2) cultural events in a year (on Bijoy Day or Language Day and one during the long summer vacation), rotating from north (clockwise): New York; Washinton DC; Texas; California; and Chicago. Let us think about it. Thanks.
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.