Home | About Us | Porshi Team | Porshi Patrons | Event Announcement | Contact Us
হোমপেজ পুরনো সংখ্যা: সূচীপত্র  প্রযুক্তি বন্ধন  ||  ৯ম বর্ষ ৪র্থ সংখ্যা শ্রাবন ১৪১৬ •  9th  year  4th  issue  Jul-Aug  2009 পুরনো সংখ্যা
বাংলাদেশে ডে-লাইট সেভিং প্রবর্তন কি কাজের হবে? Download PDF version
 

প্রযুক্তি বন্ধন

 

বাংলাদেশে ডে-লাইট সেভিং প্রবর্তন কি কাজের হবে?

 ১৯-শে জুন থেকে বাংলাদেশে ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা সামনে এগোল। গ্রীনিউইচ সময় (জিএমটি) থেকে ঢাকার সময় এখন ৭ ঘন্টা এগিয়ে, নিউ ইয়র্ক থেকে ১১ ঘন্টা ও লস এঞ্জেলাস থেকে ১৪ ঘন্টা এগিয়ে। ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ঘড়ির কাঁটাকে আবার এক ঘন্টা পিছিয়ে দেয়া হবে। এ বছর যদিও এই প্রক্রিয়াটা দেরিতে শুরু হল, আগামী বছর ১-লা এপ্রিল থেকে ডে-লাইট সেভিং শুরু হবে।

বাংলাদেশের শতকরা মাত্র ৪৫% ভাগ জনসংখ্যা সরাসরি বিদ্যুত ব্যবহার করে। কিন্তু বিদ্যুত চাহিদা যেখানে ৫,০০০ মেগাওয়াট, সেখানে ৩,৮০০ মেগাওয়াট তৈরি হচ্ছে।  ১,২০০ মেগাওয়াটের মত বিদ্যুত ঘাটতির ফলে প্রতিদিন লোড-শেডিং এর ফলে জনজীবন ও শিল্প বিপর্যস্ত হচ্ছে। এই দুর্বিপাক থেকে মুক্ত হতে আপাততঃ কোন সমাধান না পেয়ে সরকার নিসন্দেহে মরিয়া হয়ে ডে-লাইট সেভিং প্রবর্তন করেছেন। এর ফলে রাতে এক ঘন্টা কম সময় বিদ্যুতের ব্যবহার কমবে এবং কর্তৃপক্ষের ধারণা এর ফলে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট শক্তি সাশ্রয় হবে।

নিসন্দেহে ঘড়ির কাঁটা এগোনো বা পিছানোর ধারণা বাংলাদেশের জন্য নতুন (যদিও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় অস্থায়ীভাবে এক বছরের জন্য ও ১৯৫১ সনে স্থায়ীভাবে আধঘন্টা সময় বদলানো হয়) । অনেকের জন্য একটা ধাঁধার ব্যাপার হবে, কোন সময় ঘড়ি এগোতে হবে, বা পিছাতে হবে সেটা অনেকেই জানবে না এবং এটা জনজীবনে একটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করবে।  প্রাথমিক পর্যায়ে আসলেই কিছু গন্ডগোল হয়েছে, অনেকে মনে করেছেন ঘড়ির কাঁটা এগোনোর বদলে সব অনুষ্ঠান বা ঘটনা এক ঘন্টা পরে শুরু হবে। যেমন স্কুল সকাল ১০টার বদলে ১১টায় শুরু হবে, ট্রেন ছাড়বে এক ঘন্টা পরে।

যথেষ্ট পরিমাণে প্রচার দিয়ে যদিও বা মানুষকে সচেতন করা যেতে পারে, এটা এখনো প্রমাণ হয় নি যে নিচু অক্ষাংশের (ল্যাটিচুড) দেশগুলোর জন্য ডে-লাইট সেভিংস যথেষ্ঠ পরিমাণে শক্তি সাশ্রয় করবে। এখানে মরিশাসের উদাহরণটা সঙ্গত হবে, মরিশাস ২০০৮ সালে ডে-লাইট সেভিং চালু করেছিল, কিন্তু সাধারণ নাগরিকদের অনিচ্ছার কারণে মরিশাস এই প্রক্রিয়ার আর পুনারবৃত্তি করবে না। তবে মরিশাস বাংলাদেশ থেকে বিষুবরেখার অনেক কাছের দেশ, সেখানে সারা বছরে দিনের আলোর তারতম্য আরো কম।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় দিনটিতে (২১ বা ২২শে জুন) তিন ঘন্টার মত বেশী দিনের আলো থাকে সবচেয়ে ছোট দিনের (২১ বা ২২শে ডিসেম্বর) চাইতে। জুনের ঐ দিনটিতে সূর্য ডোবে ৭টা ১৮ মিনিটে আর ডিসেম্বরের ২১এ সূর্য ডোবে ৫টা ৪৭ মিনিটে, অর্থাৎ ঘন্টা দেড়েক পরে। ডে-লাইট সেভিংস দিনের আলোর এই সময়টা ব্যবহার করতে চাইছে। দেখা যাক এই এক্সপেরিমেন্ট বাংলাদেশের জন্য সফল হয় কিনা।

 

মন্তব্য:
এ সপ্তাহের জরীপ

প্রেসিডেন্ট ওবামা ঠিকমত দেশ চালা্চ্ছেন।

 
Code of Conduct | Advertisement Policy | Press Release | Hard Copy Archive
© Copyright 2001 Porshi. All rights reserved.